কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬ এ ০১:১০ PM
কন্টেন্ট: পাতা
পটভূমি

মানব জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান, সার্বিক উন্নয়ন এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য যে ডিসিপ্লিনটি শিক্ষা দেয় তা আমাদের দেশে গার্হস্থ্য অর্থনীতি নামে পরিচিত। জীবনযাত্রায় কর্মদক্ষতার উন্নয়ন ও অচরণ মান উন্নয়নের লক্ষে এবং মানব সম্পদের যথাযথ উন্নয়নের জন্য যুক্তরাস্ট্রের ফোর্ড ফাউন্ডেশন এবং ওকলাহোমা স্টেট ইউনিভার্সিটির সহায়তায় তৎকালীন সরকার ঢাকার আজিমপুরে ১৯৬১ সালে গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়া তাদেরই সহায়তায় গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের পাঠ্যক্রম প্রণীত হয় এবং ওকলাহোমা স্টেট ইউনিভার্সিটির গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিষয়ের বিশেষজ্ঞ শিক্ষকগণের সরাসরি তত্ত¡াবধানে এদেশে গার্হস্থ্য অর্থনীতি শিক্ষার সূচনা ঘটে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীব বিজ্ঞান অনুষদের উপাদনকল্প কলেজ (ঈড়হংঃরঃঁবহঃ পড়ষষবমব) হিসাবে প্রতিষ্ঠিত গার্হস্থ্য অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের একমাত্র বিশেষায়িত সরকারি কলেজ। ১৯৬১ সালের ১ জুন থেকে কলেজের স্থপতি অধ্যক্ষ মিসেস হামিদা খানমের নেতৃত্বে ২৫ জন শিক্ষার্থী নিয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে গার্হস্থ্য অর্থনীতি শাখা ও ¯œাতক পর্যায়ে গার্হস্থ্য অর্থনীতি এর ২ বছর মেয়াদী বি.এসসি. (পাস) কোর্স চালুর মাধ্যএই প্রতিষ্ঠানের প্রথম একাডেমিক কার্যক্রমের যাত্রা শুরু হয়। গার্হস্থ্য অর্থনীতি ডিসিপ্লিন একটি বহুমাত্রিক ও প্রয়োগভিত্তিক বিষেশায়িত একাডেমিক বিভাগ, যেখানে বিভিন্ন বিষয়ের জ্ঞান (বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসা শিক্ষা) একত্রিত করে বা সমন্বিত করে বাস্তবমুখী শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে মানব সম্পদ উন্নয়নে সহায়তা করে। এছাড়াও মানবজীবন সম্পর্কিত সকল সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট জ্ঞান ও দক্ষতা বাস্তব ক্ষেত্রে প্রয়োগের জন্য ব্যাক্তির উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই প্রেক্ষিতে ২০২১ সালে কলেজের নাম পরিবর্তন করে অধুনিক বিশ্বের উপযোগী গভর্নমেন্ট কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সাইন্স নামকরণ করা হয়।